আমাদের চক্ষুলজ্জা

চক্ষুলজ্জা আমাদের সবার কাছেই একটি অতিপরিচিত শব্দ।এই চক্ষুলজ্জার জন্যই আমরা আজকে এতপিছিয়ে,তবে এর অর্থ শালীনতার বিপরীত নয়।এর অর্থ হচ্ছে যে কাজ আমরা সত্যি করার যোগ্যতা রাখা সত্তেও কে কি বলবে এর ভয়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকা।এক্টি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টা পরিষ্কার করা যাক,আমরা বিদেশে গিয়ে সুইপারের কাজ করতে পারি বিনা দ্ধিধায় কিন্তু শশুরবাড়ী গিয়ে একগ্লাস পানি ভরে খেতে লজ্জাবোধ করি।আমি ঠিক এইচক্ষুলজ্জার কথাই বলছি।আপনি একটু গভীরভাবে চিন্তা করে দেখেন আমাদের সমাজে সবাই কি প্রকূতঅর্থে বেকার,নাকি তারা বেকার এর বেশধারনকারি।আজকে বর্হিবিশ্বের উন্নতথেকে উন্নততর দেশ যেখানে বহুমুখিশিক্ষা দিয়ে তাদের ভবিষ্যত নাগরিকদের গড়ে তুলছে আজকে আমরা সেখানে আমাদের ২০ লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের একাধারে একই পাঠ্যপুস্তকের একই ধাচের শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছি।যেখানে তাদের সাতন্ত্র প্রতিভার সামান্য দামটুকুও দিতেছি না।যা দেই তাও নামমাত্র।যেকারনে ঐ ২০ লক্ষের প্রথমসারিরা তাদের কর্মসংস্থান তৈরি করে নিতে পারলেও বাকিরা ভবঘুরেই থেকে যায়।আজকে আমরা যদি নিজের আত্তবিশ্বাসবলে চক্ষুলজ্জার উর্দেউঠে নিজের প্রতিভাকে নিজউদ্যোগে প্রকাশ করার উদ্যগি হতাম তাহলে আমরা সমাজে নিজের অবস্থান নিজেই তৈরি করে নিতে পারতাম ইনশাল্লাহ।এর জন্য আমার প্রতিভা বিকাশ করার জন্য অন্য কারোর উপর নির্ভর করতে হতো না।যেমনঃআমার পাশের মহল্লার স্কুল পলানো ছেলেটি ঠিকই নিজ উদ্যোগে নিজের প্রতিভা প্রকাশ করার জন্য ড্রাইবিং শিখে নিয়ে নিজের পায়ে দাড়িয়ে গেছে,সেটা হতে পারে অটো,সি এনজি,হাইট্রলি,রিকশা,মেকানিক ইত্যাদি।সে কিন্তু ঠিকই চক্ষুলজ্জার উপরে উঠে নিজের ভাগ্য নিজের অনূকুলে নিয়ে আসতে পেরেছি।কিন্তু আমি!এখনো সমাজের প্রতিবন্ধকতার ভিতরে আটকে পড়ে কাজ করার সামর্থ্য থাকা সত্তেও বাপের হোটেলে বসে আছি।কারন কি?আমি ঐ ছেলেটির মতো চক্ষলজ্জার দরজা ভেদ করতে পারিনি।অবশেষে বিদেশে গিয়ে আমাকে কিসের কাজ করতে হয়!!!একাদারে ১২টি বছর শুধু সমাজ,স্কুল,কলেজ আমাকে যেভাবে চালিয়েছে সেই ভাবেই চলতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি,একটি বারও নিজের প্রতিভা খুজার চেষ্টা করিনি,নিজে উদ্যগি হইনি,যার ফল এখন আমকে বেকারত্ত হারেহারে কুড়ে দিচ্ছে।আর যখন খুজে পাই তখন সমাজের চক্ষুলজ্জা এসে গ্রাস করে ফেলে।আমরা প্রতিনিয়ত সুযোগ পাওয়া সত্তেও যখন তা আমদের দরজায় এসে কড়ানাড়ে তখন আমরা আওয়াজ হচ্ছে বলে বিরক্ত হই।রাজনীতি,উপস্থাপক,ড্রাইবিং,ফ্রিলাঞ্চিং,ফেসবুক,ইউটিউব,লেখক,ব্যাবসায় আপনার যা ভলো লাগবে আপনি তাই করুন,এই ভালো লাগাটাই হলো আপনার প্রতিভা।আপনি সেটা নিয়েই পড়ে থাকুন।তবে সমাজে সম্মান নিয়ে বাচার জন্য আপনার শিক্ষা অবশ্যই থাকতে হবে।তবে আমাকে A+,Golden,সেরা স্কুল-কলেজ,ভর্সিটি তে Admisson নেওয়ার জন্য মাথার গাম পায়ে ফেলার কোন দরকার নেই।আমি বলব just নিজের প্রতিভাকে চিনতে শিখুন এবং সেটাকে বাস্তবায়ন করার জন্য প্রয়োজনে চক্ষুলজ্জা,স্কুল-কলেজ,সমালোচনা,পার্থিব লালসা ইত্যাদির উর্দে উঠে যান।otherwise ঐ ২০লক্ষের প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে এর ফল আপনাকেই ভোগ করতে হবে।সমাজ কে চিনার আগে নিজেকে চিনুন।আল্লাহ হাফেজ—

The following two tabs change content below.
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করার চেস্টা করি। সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের ।ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট কলেজে মানবিক শাখায় পড়ছি।থাকি ঘাটাইলেই,টাংগাইল।পরিবার খুব সাধারন।তাই স্বভাবতই আমিও তাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *