online income in bangladesh,freelancing in bangladesh

আমাদের আত্তসম্মানবোধ

আত্তসম্মানবোধ ব্যক্তিজীবনে খুব বড় একটি বিষয়।এখন কথা হলো আমরা সবাই কি স্ব স্ব আত্বসম্মান বজায় রেখে সমাজে চলতে পারি?একবার নিজেকে প্রশ্ন করেন তো কেবল নিজের আত্তসম্মান/আত্ববিশ্বাস এর উপর ভরশা না থাকার কারনে কত কিছু থেকে বঞ্ছিত হয়েছেন জীবনে!প্রশ্ন ছোট কিন্তু উত্তর ব্যাপক।কেবল আত্তসম্মান বজায় রেখে চলতে না পারার কারনে ,আমরা যখনি কোন কাজ করার কথা চিন্তা করি আমাদের মাঝে হাজারো প্রশ্ন উকি মারে।যেমনঃআমি কি সত্যি এর উপযুক্ত?এটা কি আমার দ্বারা হতে পারে?কে কি বলবে?ইত্যাদি।তবে হে অনেকই অনেক ধরনের কথা বলবে।এমনকি স্বয়ং আপনার succsess photo

পরিবারও।তাই বলে সবার বলার উদ্দেশ্য কিন্ত এক নয়।কিন্তু আপনার কাজের উদ্দেশ্য কিন্তু ইতিবাচক হওয়া চাই।সবার আগে চাপিয়ে দেওয়া কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখুন।সামনে যাওয়ার আগে চলুন দেখে নেই এইসমস্ত স্বার্থপর সমালোচনাকারীদের চিনব কেমনে—
১)এরা স্বাধারনত গুজব প্রিয়
২)এরা এমন প্রখর ভাবে সমালোচনা করবে যেন তারা বিজয়ী পুস্কারের জন্য তীব্র প্রতিযোগিতা করতেছে।
৩)অজুহাত দেখিয়ে ব্যার্থতাকে ঢাকতে এদের জুড়িনেই
৪)এরা সবজান্তা,নিজের শ্রেষ্ঠ্যত্ব দেখানোর জন্য অন্যকে ছিন্নভিন্ন করে
৫)ভাগ্যবাদী,মনে করে উদ্যোগ ছাড়াই সবকিছু আপনা থেকেই হবে
৬)এরা অন্যের মতামত গ্রহনে সবসময়ই ব্যার্থ,ভিতরে অন্যের চিন্তাধারা ঢুকতেই দেয় না
৭)ব্যাবহারে অকৃত্রিম নয়,যেকারনে তাদের কোন কিছুই অকৃত্রিম নয়
৮)রাখতে পারবেন না জেনেও প্রতিশ্রতি দেন
৯)এরা স্বাধারনত যুক্তিহিন ও খামখেয়ালিপনা
১০)স্বভাবে অতিঅভিমানি,যাকে তারা অন্যের দুর্বলতা মনে করেন
১১)অন্যের প্রতি প্রসংশা বাক্য উচ্চারন করতে এরা সাধারনত কৃপণ
যদি উপরে উল্লেখিত বৈশিষ্টের কোন ব্যাক্তি আপনার পারিপ্বার্শিকে থেকে থাকে তাহলে আপনার আত্তসম্মান বজায় রাখতে যথাসম্ভব এদের এড়িয়ে চলুন।কেননা,এরা আপনার যে কোন কাজে এমন প্রতিক্রিয়া দেখাবে যা আপনার কাজের শুরুতেই আপনাকে আটকিয়ে দিবে,সামনে অগ্রসর হবেন তো দূরের কথা।আর সমাজে বা সা্মাজিক ক্ষেত্রে নিজের স্বাতন্ত্র অবস্থান তৈরি করার জন্য আপনার আত্তসম্মান বোধের বিকল্প নেই।
এই বোধতা কখন আসবে যখন আপনি ভাগ্য না পরিশ্রম দ্বারা কোন কাজে সফল হবেন এবং সেই কাজের যখন যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে।
আসলে কি আমরা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানরা স্বপ্ন বড় করে দেখতে পারি না।আমাদের চিন্তা দ্বারা সবসময় ভালো চাকরি,বা ছাত্ররাজনীতি ইত্যাদির মধ্যেই সীমাবদ্ব থাকে।কিন্তু কেন?আমরা কি স্বপ্ন বড় করে দেখতে পারি না?অতঃপর পরিশ্রম ও অধ্যাবসায় দ্বারা সেটাকে সম্ভভ করে তুলতে।চাকরি করার বদলে চাকরি দেওয়ার কথা ভাবতে পারি না,নেতার খেদমত করার বদলে নেতা হওয়ার কথা ভাবতে পারি না।অবশ্যই পারি।চাইলেই পারি।কিন্তু,ঐ যে শুরুতেই বলছিলাম আমাদের আত্তসম্মানবোধ এর অভাব থাকার কারনে আমরা তা ভাবতেই পারি না।যে,হায় হায়!!আমি এই কাজ করব,ওখনে যাওয়া কি আমার দ্বারা হবে?কোন রকম একটা চাকরি আর একটা বউ পাইলেই আমার হবে।আমাদের অধিকাংশের চিন্তাদ্বারা এখন এটাই।তাহলে আপনি মহানবীর(সঃ) কথা বা তার জীবনি থেকে কিছু শিখতে পারেন নাই।সেজন্যাই জৈনিক ব্যাক্তি বলে,
“নিজেকে কেন অযোগ্য ভাবো,অযোগ্য ভাবার যুক্তি নাই।অনেক বড় হওয়ার স্বপ্ন সবাইকে আমি দেখাতে চাই”
হে,আমাদের অনেক বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখতে হবে,আর এ জন্য দরকার তীব্র আত্তসম্মানবোধ ও আত্তবিশ্বাস,যে আমি পারব।তার জন্য অবশ্যই উক্ত বৈশিষ্টের লোক হতে সদা সাবধান;যার বৈশিষ্টের কথা আগেই বলা হয়েছে।এমন আত্তসম্মানবোধ,যেন আমরা বলিনা যে,আমি অমক মন্ত্রী/এমপি র তমক হই,বরং বলি যে অমক মন্ত্রী/এমপি আমার তমক হয়।যদি এইরকম আতসম্মানবোধ গঠন করতে পারি তাহলে সাফ্যল্যই উলটো আমার কাছে ধরা দিবে ইনশাআল্লাহ।আল্লাহ হাফেজ-

The following two tabs change content below.
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করার চেস্টা করি। সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের ।ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট কলেজে মানবিক শাখায় পড়ছি।থাকি ঘাটাইলেই,টাংগাইল।পরিবার খুব সাধারন।তাই স্বভাবতই আমিও তাই।

Leave Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *