সুযোগ কিন্তু হাতের কাছেই,শুধু চিনে নিয়ে কাজে লাগান

সুযোগ।আমরা সবাই যার জন্য সবসময় অপেক্ষা করে থাকি।আমাদের কাছে সোনার হরিণ।কিন্তু,আমরা সবাই কি এর উপস্থিতি সবসময় টের পাই?
না,পাইনা।
যদি পাইতাম,তাহলে আমরা নিজেদের মতোই চলতে শিখতাম,অন্যের তৈরী করা পথের উপর নির্ভর করতে হত না।ফলে,আমরা আজকে এত পিছিয়ে।তাহলে বোজা গেল,আমরা সুযোগ-সম্ভাবনার উপস্থিতি টের পাই না।
কিন্তু,এভাবে আর কতো কাল?
প্রকৃতপক্ষে কী জানেন?আমরা নিজেরাই নিজেদের কাজ দ্বারা সুযোগ তৈরী করি আবার সেই সুযোগ এর জন্যেই প্রহর গুনি!যে
কখন আসবে?
কী অদ্ভুত ব্যাপার!প্রকৃতপক্ষে,আমরা প্রতিনিয়ত সুযোগ এর সৃষ্টি করে বোকার মতো ভবিষ্যতের দিকে হাঁ করে তাকিয়ে থাকি।অথচ,এই মূহর্তে,আমি যে কত বড় সুযোগ মিস করছি,তার খেয়াল কি আমরা রাখি?
না,মোটেও রাখিনা!হয়তবা শতকরা ১০-১২ ভাগ
রাখলেও রাখতে পারি।But,কাজে লাগানোর চিন্তা
কয়জন করিchance image
আমাদের জন্য সুযোগ এর চিরাচরিত কিছু কথা বলি-
১)আমাদের কাছে নদীর অপরপাড়ের ঘাস অনেক বেশী উজ্জল মনে হয়।কারণ,দূরবর্তী সম্ভাবনাকে মানুষ অনেক বেশী উজ্জল মনে করে;যেটার কথা বর্তমান বাদ দিয়ে ভাবা বোকামী ছাড়া কিছু নয়।
২)প্রাপ্ত সম্ভাবনাকে/সুযোগকে কাজে না লাগিয়ে যারা সূদূর সম্ভাবনার স্বপ্নে বিভোর থাকে,তারা জেনেও জানে না যে ঐ একই সুযোগটি আরো অনেকে পাওয়ার জন্য উম্মুখ হয়ে আছে।সুতরাং,এক্ষেত্রে তার সম্ভাবনা কতটুকু!বুজতেই পারছেন।
৩)শুধু তাই নয়,আমরা বেশীরভাগই তো সুযোগ দরজায় এসে কড়া নাড়লে আওয়াজ হচ্ছে বলে বিরক্ত নয়।ফলে,সেটকে গ্রহন করব তো দূরের কথা,বরং তাড়িয়ে দেই।কিসের মোহে পড়ে আছি আমরা!
৪)একই সুযোগ দুবার আসে না।একথা আমরা সবাই জানলেও মানার মতো কয়জন আছি?আছি কি?মোটেও নেই।শুধু জানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে আছি।অনেকটো হলো,এবার একটু চোখটা খুলেন।দেখেন,কতো সুযোগ আপনাকে ডাকছে তাকে গ্রহণ করার জন্য।পরবর্তী সুযোগ হয় এর থেকে ফলপ্রশু হবে হয় বেদনাদয়ক।কিন্তু একই রকম মোটেও হবে না।তাই,Be carefull.Ok
এখনতো বুজতে পারছেন,আমি লোভ দেখানো ধোকার ভবিষ্যতের কথা বলছি না,বলছি আপনার হাতের কাছের সুযোগটির কথা।কয়জন হাতের কাছের সুযোগটিকে চিনতে পারি।হ্যা,অনেকেই চিনতে পারি।কিন্তু অতঃপর কাজে লাগানোর চেষ্টা কইয়জন করি?আরে ভাই,অনেকতো হলো,লোভ দেখানো ভবিষ্যতের পিছনে অন্ধেরমতো আর ছুইটেন না।এসম্পর্কে একটু কথা বলি-
গত পাঁচ(৫) বছর আগে আপনার এই বর্তমান সময়কে নিয়ে আপনার কতই না স্বপ্ন ছিল।যখন কলেজ লাইফে যাব,তখন এটা করব,সেটা করব, কত কী।আর এখন, যখন সেই কাঙ্খিত সময়ে এসে পৌছলেন তখন কী করলেন?সেই সময়কে বাদ দিয়ে আগামী ২-৩ বছরের প্লান শুরু করলেন।মানে,যখন ভার্সিটিতে পড়ব তখন এই করব,সেই করব ইত্যাদি।বুজছেন তো ব্যাপার টা।আমাদের অবস্থা কই এখন!ভাবতে অবাক লাগে,আমরা কোন অজানার পিছনে ছুটছি;যেখানে আমি মোটেও জানি না,সেই সময় আমি পাব কিনা?পেলেও ব্যাবহার করতে পারব কিনা?চোখ মেলে চারপাশে তাকান একটু।তাহলেই বুজতে পারবেন আপনার অবস্থা কি রকম হতে পারে!

তাই বলছি,ভাই অনেক হয়েছে।এবার থামেন!নিজের অতীতকে মাথায় রেখে বর্তমান নিয়ে থাকুন,বর্তমানকে নিয়ে ভাবুন-কাজ করুন।আর ভুলে যান সূদুর ভবিশ্যতের কথা।কেননা,বর্তমান ঠিক থাকলে ভবিষ্যত এমনিতেই ঠিক হয়ে যাবে।নতুবা ভবিষ্যত সারা জীবনেও ঠিক হবে না।যেমনঃআপনি যদি বর্তমানে কোন কাজে সফল হন,তাহলে ভবিষ্যতে সফল হওয়ার স্পৃহা আপনি এমনিতেই পাবেন।আর এর টেকনিক তো আপনি আগেই সফল হওয়ার সময়ই অর্জন করে নিয়েছেন যে কেমনে কি করতে হবে।তাহলে ভবিষ্যত নিয়ে আলাদাভাবে চিন্তা করার দরকার আছে?নাই।কারণ,আপনার বর্তমানই আপনাকে বলে দিবে যে পরবর্তীতে আপনাকে কী করতে হবে?

সুতরাং,বুজতেই পারছেন এইমুহর্তে আপনাকে কী করতে হবে।আপনার হাতের কাছের সুযোগটি আপনিই ভালো চিনবেন।চোখ-কান খোলা রেখে কাজে লাগানোর চেষ্টা করুন।তবে  শয়তানী সুযোগ ব্যবহার করে নিজের সর্বনাশ দেকে আনবেন না।শয়তান আপনাকে অনেক সুযোগ এর কথাই বলবে;বাস্তবে সেগুলো ধোকা ছাড়া আর কিছুই নয়। Best of try.আল্লাহ হাফেজ-

The following two tabs change content below.
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করার চেস্টা করি। সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের ।ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট কলেজে মানবিক শাখায় পড়ছি।থাকি ঘাটাইলেই,টাংগাইল।পরিবার খুব সাধারন।তাই স্বভাবতই আমিও তাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *